বিবর্তন ডেস্ক (বি. স.) ● বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, লঞ্চে আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ যাত্রী ছিল। দু’টি লঞ্চের সংঘর্ষের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত ২১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও অনেকে এখনও নিখোঁজ আছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্য এ স্থানীয়রা। আজ ২৯ জুন সোমবার সকাল নয়টার দিকে এমএল মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি এলাকা থেকে সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। সদরঘাটের কাছেই ফরাসগঞ্জ ঘাট এলাকায় নদীতে লঞ্চটি ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে পুরুষ ১২, নারী ৬ ও ৩জন শিশু রয়েছে। পুরুষদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁর নাম দিদার হোসেন (৪০)।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার ফরনরন, মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড নামের একটি ছোট লঞ্চ ঢাকায় আসছিল। শ্যামবাজার এলাকায় ভোলা থেকে আসা কর্ণফুলি ১২ লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসময় রানিং সান লঞ্চটা ডুবে যায়।
এর আগে ঢাকা নদীবন্দরের নৌযান পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান লঞ্চডুবির বিষয়টি জানান।
লঞ্চটি উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা কাজ করছে। এছাড়াও নৌপুলিশ ও নৌবাহিনী কাজ করছে। উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি জাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।





Users Today : 72
Views Today : 84
Total views : 188523
