• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বুধবার, মে ৬, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

Admin by Admin
মার্চ ২৫, ২০২০
in Uncategorized
0 0
0
চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
0
SHARES
20
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

নতুন বছরের কয়েক মাস যেতে না যেতেই চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকলেও তার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু কেন? এমনিতেই দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা বছর শুরুই করেন নানা চাপ নিয়ে। বাসা ভাড়া বৃদ্ধি, এটার দাম বৃদ্ধি ওটার দাম বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে। এরমধ্যে যদি চালের দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না। এর সাথে জড়িত বিভিন্ন পক্ষ নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছেন। কিন্তু আমরা যারা ভোক্তা তাদের একটাই দৃষ্টিকোণ। তা হলো বাজার থেকে কেনা। ইতিমধ্যেই চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে গত মাসে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও থেমে নেই দাম বৃদ্ধি। এর আগে চালের দাম নিয়ে কারসাজির হোতাদের থামাতে শেষ পর্যন্ত মাঠে নেমেছে প্রশাসন। এদেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির গতি যতটা দ্রুত হয় মূল্য কমার গতি তার থেকে বহুগুণে কম হয়। আমরাও আশা নিয়ে তাকিয়ে ছিলাম যদি এসব মুনাফালোভীদের কাজই হয় তাহলে সরকার এদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে পারবে। আবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে চালের দাম। অন্তত মোটা চাল যা সাধারণত নিন্মবিত্ত আয়ের মানুষ ক্রয় করে।
অস্থির বাজারের সাথে অস্থির জনজীবন। ক্রমবৃদ্ধিপ্রাপ্ত এ চালের বাজারের আগুনের আঁচ লাগছে সাধারণ মানুষের ওপর। এ জ্বালা কেবল যারা নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্ত শ্রেণির তাদেরই বেশি। বিভিন্ন মহল থেকে দাম বাড়ার নানা যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। তবে মূল কাজটা এখনও হচ্ছে না। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ এই আশাতেই পথ চেয়ে থাকে যে চালের দাম কমবে। পাঁচ জনের একটি পরিবারে যদি একজন উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি থাকে তাহলে চাল কিনতেই প্রতিদিনের আয়ের একটি বড়ো অংশ চলে যাচ্ছে।
ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষে আমরা এগিয়ে চলেছি। খাদ্যে তো আমরা এখন স্বয়ংস¤পূর্ণই। কিন্তু খাদ্য আপামর সাধারণ জনতার কাছে সহজলভ্য করে তোলাই চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে সরকারের এই মহৎ উদ্যেগকে সাধুবাদ জানাই। পেট ভরলেই তো সুষ্ঠু চিন্তা সম্ভব। ক্ষুধার জন্য মানুষের করে না এমন কাজ আর নেই। তাই ক্ষুধা মুক্ত দেশ গঠনের এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দশ টাকা কেজি দরে যখন চাল বিক্রির আমরা সাধারণ মানুষ যখন আনন্দিত হই তখন অন্যদিকে কিছু সুবিধাভোগী মানুষ তা নিজের স্বার্থে ব্যাবহার করার ক্ষীণ উদ্দেশ্যে ব্যস্ত থাকে। মাঝে মাঝে পত্রিকা খুললেই দেখতে পাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় গরীবের হকের চাল বা টিন চলে যাচ্ছে বিত্তবানদের দখলে। অনেকে খুলে বসছেন লাভজনক ব্যবসা। পত্রিকায় খুললেই চোখে পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরিবের পেটের আহার চলে যাচ্ছে অসৎ পয়সাওয়ালাদের পেটে। এর মধ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সব শ্রেণিপেশার মানুষ জড়িত রয়েছে। যার কার্ড পাওয়ার কথা সে পাচ্ছে না। যার সামর্থ্য আছে তারা কার্ড নিয়ে বসে আছে। দুর্নীতির কথা কতক্ষণ আর ঢাকা থাকে। চাল নিয়েই দেশে কত কারসাজি হয়!
গত বছর দেশে পেঁয়াজ নিয়ে হৈ হৈ কা- ঘটে গেল। সেই রেশ পুরোপুরি থেমেছে খুব বেশি দিন হয়নি। অনেকেই পেঁয়াজ খাওয়া বাদই দিয়েছিল। আবার খেলেও তা অনিয়মিতভাবে। দ্রব্যমূল্য এমন একটি বিষয় যা মূলত সব শ্রেণি পেশার মানুষের ওপরই প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে যাদের আয় সীমিত তাদের ওপরই প্রভাব বেশি পরে। মাথায় নিত্যদিনের চিন্তা নিয়ে বের হতে হয়। ফলে মূল্য বৃদ্ধি একটি বাড়তি চাপ হিসেবে দেখা দেয়। যাই হোক সে পেঁয়াজ নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। চালের বিষয় ভিন্ন। সাধারণ জনগণ আশা করে দাম নাগালের মধ্যেই থাকবে। দাম বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরতে হবে। আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি রাখতে হলে অবশ্যই চালের দাম হাতের নাগালে রাখতে হবে। যদি এর মধ্যে কোনো কারসাজি বা চালবাজি থেকে থাকে তা খুঁজে বের করতে হবে। সাধারণ মানুষের হাতের মঙ্গলার্থে চালের দাম হাতের নাগালেই রাখতে হবে।
অলোক আচার্য : শিক্ষক ও কলাম লেখক।

RelatedPosts

মুক্তকথা ● বিবেকের বিশ্লেষণ ■ ডা. অলোক মজুমদার

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোনের করপোরেট নম্বর ব্যবহার ‘বাধ্যতামূলক’

স্মরণে ● কমরেড ইলা মিত্রের শততম জন্মজয়ন্তী এবং নাচোল বিদ্রোহ ○ মিথুশিলাক মুরমু

Previous Post

হিন্দুস্তান-পাকিস্তান-দাঙ্গার আঁধারে লুকোনো সাম্রাজ্যবাদ

Next Post

চাকরির আবেদনেই বয়সসীমা শেষ

Admin

Admin

Next Post
চাকরির আবেদনেই বয়সসীমা শেষ

চাকরির আবেদনেই বয়সসীমা শেষ

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 6 1 9 2
Users Today : 38
Views Today : 47
Total views : 177932
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In