• প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
No Result
View All Result
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২৬
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা
  • স্বাস্থ্য
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম-দর্শন
  • ফিচার
Somoyer Bibortan
No Result
View All Result

বিশেষ নিবন্ধ ● মৃত্যুজয়ী যীশু ▄ নাহিদ বাবু

বিশেষ নিবন্ধ ● মৃত্যুজয়ী যীশু ▄ নাহিদ বাবু

Admin by Admin
এপ্রিল ২, ২০২৬
in ধর্ম-দর্শন, প্রচ্ছদ
0 0
0
বিশেষ নিবন্ধ ● মৃত্যুজয়ী যীশু ▄ নাহিদ বাবু
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

RelatedPosts

বিশেষ নিবন্ধ ▌ ক্রুশ থেকে শূন্য সমাধি: আমাদের জীবন্ত আশা ▄ জন দাস

বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

মতামত ● গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য বদলাবে কবে? ▌ মোজাহিদ হোসেন

সপ্তাহের প্রথম দিন, সেই স্ত্রীলোকেরা খুব ভোরে ঐ সমাধিস্থলে এলেন। তাঁরা যে গন্ধদ্রব্য ও মসলা তৈরি করেছিলেন তা সঙ্গে আনলেন। তাঁরা দেখলেন সমাধিগুহার মুখ থেকে পাথরখানা একপাশে গড়িয়ে দেওয়া আছে ; কিন্তু ভিতরে ঢুকে সেখানে প্রভু যীশুর দেহ দেখতে পেল না। তাঁরা তখন অবাক বিস্ময়ে সেই কথা ভাবছেন, সেই সময় উজ্জ্বল পোশাক পরে দুজন ব্যক্তি হঠাৎ করে তাদের সামনে দাঁড়ালেন, ভয়ে তারা নিচু ও নতজানু হয়ে রইলেন। ঐ দুজন তাদের বললেন, তোমরা তাঁকে মৃতদের মাঝে খুঁজছ কেন? তিনি এখানে নেই, তিনি পুনরুত্থিত হয়েছেন। তিনি যখন গালীলে ছিলেন তখন তোমাদের কি বলেছিলেন! মনে করে দেখ? তিনি বলেছিলেন, মানবপুত্রকে অবশ্যই পাপী মানুষদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হবে; তাঁকে ক্রশবিদ্ধ হতে হবে; আর তিনদিনের দিন তিন আবার মৃতদের থেকে জীবিত হয়ে উঠবেন। তখন যীশুর সব কথা তাদের মনে পড়ে গেল। তারপর তারা সমাধিগুহা থেকে ফিরে এসে সেই এগারো জন প্রেরিতদের ও তাঁর অনুগামীদের এই ঘটনার কথা জানালেন (লূক ২৪:১-১০) কারণ প্রভু যীশু পুনরুত্থিত হবেন তিনি তা পূর্বেই বলেছিলেন। তারঁ এই কথার পূর্ণতা পেল। প্রভু যীশুর জীবনে আর অনেক ঘটনার পূর্ণতা আমরা পাই, যেমন, ঈশ্বর ওয়াদা করেছেন, স্ত্রীলোকের মধ্যে দিয়ে একজন ব্যক্তি আসবেন যিনি শয়তানের মস্তক পিষে দিবেন (তৌরত শরীফ, পয়দায়েশ ৩:১৫)। তাহলে এখন প্রশ্ন! স্ত্রীলোকের মধ্যে দিয়ে এ পৃথিবীতে কে এসেছেন? প্রধান দুই ধর্মীয়গ্রন্থ বাইবেল ও কুরআন এক কথায় স্বীকার করে নেয় একমাত্র যীশু খ্রীষ্ট এই পৃথিবীতে বাবা ছাড়া মায়ের মধ্যে দিয়ে এসেছেন। এটা ঈশ্বরের অলৌকিক কাজ।পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই অদ্বিতীয়।
তারপর যদি আমরা দেখি তাহলে হয়রত মুসা নবীর মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর বলেছেন, “তোমার ভাইদের থেকে তোমার মত একজন দাঁড় করাব, যার কথায় তোমাদের চলতে হবে, তার মুখ দিয়ে আমি আমার কথা বলব, সে আমার বাধ্য থাকবে, তাঁর কথা যদি কেউ না শোনে তাকে দোষী বলে গণ্য করা হবে ” (তৌরত শরীফ, দ্বিতীয় বিবরণ ১৮:১৬-১৬) উক্ত পদ যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে আমরা দেখি যে, কার মধ্যে দিয়ে ঈশ্বর তাঁর মুখের কথা বলেছেন নিশ্চই যীশু খ্রীষ্টের মধ্যে দিয়ে।
মরিয়ম ও ইউসুফ কিন্তু গালীল প্রদেশে নাসরতের অধিবাসী ছিলেন। কিন্তু যীশুর জন্মের পূর্বে সম্রাট অগাস্টাস সিজার ঘোষণা করলেন সবাইকে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে তার নাম লেখাতে হবে (এটাকে আদমশুমারী বলা যেতে পারে) বিবি মরিয়ম ও ইউসুফ ছিল নবী দায়ূদের বংশের লোক তাই তাদেরকে জেরুশালেমে গিয়ে নাম লেখাতে হবে। তাই তারা গালীলের প্রদেশের নাসরত থেকেএহুদিয়া প্রদেশের জেরুশালেমে গেলেন আর ঠিক সে সময়ই যীশুর জন্ম হলো।এ দ্বারা সেই নবীর ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা লাভ করে।
যীশু এসেছিলেন তবে রাজা বেশে নয় দারিদ্র বেশে পাপীদের মুক্তি দিতে। প্রভু যীশুর জন্ম ও মৃত্যু কোনো ঐতিহাসিক পটভূমিতে লেখা নয় বরং আধ্যাত্মি। যখন আমরা তাঁকে হৃদয়ে ধারণ করি তখন তিনি আমাদের জীবনে বাস্তব হয়ে উঠেন। যখন আমরা ভালোবেসে মানুষের মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দেই তখন তিনি আমাদের হৃদয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রভু যীশু ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার তিনদিন পর পুনরুত্থিত হয়ে এই ধরাতে আবার আগমন করেন। যীশু খ্রীষ্টের এই পুনরুত্থান বা আগমনের দিনটিকে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীগণ ইস্টার সানডে হিসাবে পালন করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে অধিকাংশ দেশেই ইস্টার সানডে উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করেন প্রাণপ্রিয় খ্রীষ্টভক্তগণ। ইস্টার সানডে হলো ৪০ দিন উপবাসের শেষ দিন।গুড ফ্রাইডে পালনের পরই আসে ইস্টার সানডে।এ সময়ে উপবাসসহ প্রার্থনা করা হয় ,কারণ এই দিনে সবকিছুর উপর বিজয় লাভ করে যীশ পুনরুত্থিত হয়েছেন ।
রবিবার পবিত্র ইস্টার সানডে। এই দিনে দুই হাজার বছর পূর্বে যীশু খ্রীষ্ট কবর থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। বাইবেল মতে ঈশ্বরের দক্ষিণ পাশে বসে আছেন, এবং শেষ বিচার করতে আসবেন। খ্রীষ্টের এই পুনরুত্থানের সংবাদ খ্রীষ্ট সমাজের জন্য খুবেই আনন্দের এবং তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনটি সকল পাপীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ,কারণ তাদের স্বর্গে যেতে আর কোনো বাধা রইল না।
সাধু পৌল বলেন, হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ সুস্থির হও, নিশ্চল হও, প্রভুর কার্য সবর্দা উপচিয়া পড়ে, কেননা তোমরা যান যে, প্রভুতে তোমাদের পরিশ্রম নিষ্ফল নয়” (১ম করি ১৫:৫৮)
যীশুর পুনরুত্থান ব্যতিরেকে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর বিশ্বাস ও জীবন নিরর্থক এবং প্রশ্নবোধক। খ্রীষ্ট যদি পুনরুত্থিত না হয়ে থাকেন তাহলে মিথ্যাই তোমাদের বিশ্বাস; তোমরা আজও তোমাদের সেই পাপী অবস্থাতেই পড়ে আছ! যীশুর পুনরুত্থান সকল পাপ ও মন্দতার ওপর সুনিশ্চিত বিজয়। যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান উৎসবের ঐকান্তিক কামনা হোক মৃতুঞ্জয়ী খ্রীষ্টের সাথে কবর থেকে উঠে পুনরুত্থিত জীবন শুরু করা। পুনরুত্থিত খ্রীষ্টের জ্যোতিতে উদ্ভসিত হয়ে নতুন মানুষে রূপান্তরিত হওয়া।
খ্রীষ্ট আমাদের নিস্তার পর্বের মেষশাবক যিনি, তিনি কি বলিরূপে উৎসর্গকৃত হননি? সুতরাং এসো অমরা এই উদযপন করি পুরোনো খামির দিয়ে নয়, ধৃষ্টতাও অধর্মের খামি নিয়ে নয় বরং আন্তরিকতা ও সত্যনিষ্টার খামি বিহীন রুটি নিয়ে ( ১ম করি ৭-৮)
খ্রীষ্টিয় জীবন তো নেতিয়ে পড়া, ঝিমিয়ে পড়া জীবন নয় বরং অন্ধকারের পথ পরিহার কর আলোর পথে এগিয়ে চলা। মৃতদের মধ্যে থেকে খ্রীষ্ট যেমন পিতার মহিমাশক্তিতে পুনরুত্থিত হয়েছেন, তেমনি আমরাও যেন এক নব জীবনের পথে চলতে পারি; (রোমীয় ৫: ৩-৭) এই বাণীর বাস্তবায়নই প্রতিদিন আমাদের ব্যক্তি জীবনে পুনরুত্থান ঘটায়।যেখানে অন্যায়-অন্যায্যতা ও পাপময়তা ঘটছে, সেখানেই যীশু ক্রুশবিদ্ধহয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর বাস্তবতা খুবই প্রকটভাবে অনুভূত হচ্ছে। দেশের মধ্যে চলমান প্রতিহিংসা, ধ্বংসযজ্ঞ, জীবন বিনাশ অত্যন্ত নির্মমভাবে মৃত্যুৃর সত্যতা ব্যক্ত করেছে। পুনরুত্থান আমাদের ক্ষমাশীল ব্যক্তি ও আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রেরণা দান করে। আলোর পথেই চলব। আমাদের জীবনে খ্রীষ্টর পুনরুত্থান কী আবেদন সৃষ্টি করে? এটাই আমাদের অনুধ্যানের বিষয়। পুনরুত্থানের চেতনা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে কর্মপ্রেরণা হয়ে উঠুক। পুনরুত্থান উৎসব পালনের মধ্যে দিয়ে সকলের হৃদয় মনে মনে এই প্রতিজ্ঞা বদ্ধপরিপর হোক সমাজের কলুষতা দূরীভূত করে, দুর্নীতির সকল শৃঙ্খলা ভেঙে শুভ শক্তির উদ্ভবের মধ্য দিয়ে কুরুচিপূর্ণ সাংস্কৃতিক অগ্রাসন বদ্ধ হোক। পুনরুত্থান আমাদের ক্ষমাশীল ব্যক্তি ও আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রেরণা জাগাক, অবসান হোক যুদ্ধ, হানাহানি। পৃথিবী হোক শান্তিময়।
নাহিদ বাবু: খ্রীষ্টিয় ধর্মতত্ত্বে অধ্যয়নরত।

Previous Post

মতামত ● গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য বদলাবে কবে? ▌ মোজাহিদ হোসেন

Next Post

বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

Admin

Admin

Next Post
বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

বিশেষ নিবন্ধ ▄ পরিত্রাণের আশা ও নতুন জীবনের নিশ্চয়তা ● পাস্টর কিশোর তালুকদার

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ADVERTISEMENT

সময়ের বিবর্তন

সম্পাদকঃ
আবদুল মাবুদ চৌধুরী

বিভাগীয় সম্পাদকঃ
নায়েম লিটু

ফোনঃ ০২-৯০১১১৫৬ বাসাঃ -০৪, রোডঃ ০৪, ব্লক- এ, সেকশনঃ ০৬, ঢাকা -১২১৬

Our Visitor

0 3 3 2 9 9
Users Today : 33
Views Today : 34
Total views : 174587
Powered By WPS Visitor Counter

  • Setup menu at Appearance » Menus and assign menu to Footer Navigation

Developer Lighthouse.

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • শিক্ষা
    • পড়াশোনা
    • পরীক্ষা প্রস্তুতি
  • সাহিত্য পাতা
    • গল্প
    • ইতিহাসের পাতা
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা ও ছড়া
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • বিশ্ব রাজনীতি
    • মতামত
    • বড়দিনের বিশেষ লেখা

Developer Lighthouse.

Login to your account below

Forgotten Password?

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In